শনিবার ১৩ জুন ২০২৬
Online Edition

উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জের সীমান্তবর্তী কুতুবের চরে ব্যক্তিমালিকানাধীন আড়ত গড়ে চাঁদাবাজি

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জের সীমান্তবর্তী কুতুবের চরে সরকারি ইজারা দেওয়া মৎস্য আড়ত ভেঙে ব্যক্তিমালিকানাধীন আড়ত গড়ে তুলে  চাঁদাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সাধারণ জেলে, মাছচাষি, ক্রেতা, ভোক্তা ও ছোট ব্যবসায়ীরা চাঁদার বোঝা বহন করছেন। 

সেই সঙ্গে সরকার হারাচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব।

স্থানীয় মাছচাষি আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, এ বিষয়ে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সুযোগে পেয়ে সমবায় সমিতির আড়তদারেরা সরকারকে ফাঁকি দিয়ে নিজেরাই ব্যবসা করছেন।

স্থানীয় জেলে, মাছচাষি, আড়তদার ও লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ-নাটোর মহাসড়কের পাশে উল্লাপাড়ার হাটিকুমরুলে সরকারি নিউটাউন মৎস্য আড়তে অনেক বছর ধরে পাইকারী মাছ কেনাবেচা হয়ে আসছিল। সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া নিউটাউন মৎস্য আড়তের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় হতো। মৎস্য আড়তটির ইজারামূল্য ছিল বছরে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। জেলে ও খুচরা ব্যবসায়ীদের খাজনার টাকা ছিল সহনীয়। এতে উপকৃত হয়েছেন স্থানীয় জেলে, মাছচাষি, ক্রেতা, ভোক্তা ও বিক্রেতারা। জমজমাট ছিল আড়তটি। গত বছর স্থানীয় কিছু মৎস্য আড়তদার মিলে সমবায় সমিতি করে সরকারি নিউটাউন মৎস্য আড়ত ভেঙে দেন। সেই সঙ্গে তাঁরা ব্যক্তিমালিকানাধীন সাত বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জের সীমান্তবর্তী কুতুবের চর এলাকায় নতুন মৎস্য আড়ত গড়ে তোলেন। বর্তমানে সেখানে শতাধিক পাইকারি মাছের দোকান আছে। আড়তটি নিয়ন্ত্রণ করছে কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেড।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ